সব
facebook netrokonajournal.com
অধ্যাপক তফসির উদ্দিন খান : নেত্রকোণার মহৎতম অভিভাবক | নেত্রকোণা জার্নাল

অধ্যাপক তফসির উদ্দিন খান : নেত্রকোণার মহৎতম অভিভাবক

প্রকাশের সময়:

অধ্যাপক তফসির উদ্দিন খান : নেত্রকোণার মহৎতম অভিভাবক

অধ্যাপক তফসির উদ্দিন খান : নেত্রকোণার মহৎতম অভিভাবক

নেত্রকোণার মাটি ও মানুষের নেতা অধ্যাপক তফসির উদ্দিন খান ১৩ জুলাই, ২০২২ আমাদের রেখে পরলোক গমন করেছেন। তিনি রাজনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ, সমাজসেবক, সমঝোতাকারী, নিরহংকারী সর্বস্তরের মানুষের নেতা। তিনি ১৯৪৬ সালের ৭ জানুয়ারি নেত্রকোণা জেলার সদর উপজেলার মেদনী ইউনিয়নের মেদনী গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর বাবা মরহুম নবী হুসেন খান ছিলেন মেদনী ইউনিয়নের অভিভাবক সমতূল্য একজন জনপ্রতিনিধি।

সেই সময় তিনি ১৯৫৮ থেকে ১৯৬২ সাল পর্যন্ত মেদনী ইউনিয়ন বোর্ডের প্রেসিডেন্ট এবং ১৯৬২ সাল থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত মেদনী ইউনিয়ন পরিষদের একজন সফল চেয়ারম্যান ছিলেন। মা আয়ফতেন্নেছার গর্ভের দ্বিতীয় সন্তান তিনি। তাঁর একমাত্র বোন ছালেহা খাতুন।

নেত্রকোণা জেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দত্ত উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৬৩ সালে প্রবেশিকা (এসএসসি) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে নেত্রকোণা সরকারি কলেজ থেকে ১৯৬৫ সালে এইচএসসি পাস করেন। পরবর্তীতে ১৯৬৮ সালে আনন্দ মোহন কলেজ থেকে বাংলা সাহিত্যে অনার্স ডিগ্রি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭০ সালে বাংলা সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।

তৎকালীন সময়ে উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে অধ্যাপক তফসির উদ্দিন খান এলাকার বাইরে চাকুরি করতে পারতেন, কিন্তু পারিবারিক ঐতিহ্য আর সামাজিক-রাজনৈতিক দায়বদ্ধতার কারণে তিনি নেত্রকোণার বাইরে চাকরি করেননি। তিনি নেত্রকোণার শ্যামগঞ্জে হাফেজ জিয়াউর রহমান ডিগ্রি কলেজে ১৯৭৩ সালে কর্মজীবন শুরু করেন।

এই কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত কাজ করেন এবং ১৯৭৫ সালেই তিনি পূর্বধলা ডিগ্রি কলেজে যোগদান করেন। অত্যন্ত কৃতিত্বের সাথে অধ্যাপনা করে কর্ম জীবনের সমাপ্তি টানেন ২০০৩ সালে।

আজীবন বিনয়ী অধ্যাপক তফসির উদ্দিন খান ছাত্রাবস্থা থেকেই প্রগতিশীল আওয়ামী রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। তিনি ১৯৯৩ সাল থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ নেত্রকোণা জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

পরবর্তীতে জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি হিসেবে আমৃত্যু দায়িত্ব পালন করে গেছেন। নেত্রকোণার রাজনৈতিক মাঠে, আন্দোলনে তিনি সকল সময় সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কিংবা নেত্রকোণা জেলার সমাজ-সংস্কৃতির সব ধরণের আন্দোলন-সংগ্রামে সামনের সারিতে থেকে নীতি-নির্ধারণী ভূমিকা পালন করেছেন।

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ বিরোধী দলে থাকা অবস্থায় তিনি ও তাঁর সহযোদ্ধাদের রাজনৈতিক প্রজ্ঞায় নেত্রকোণা শহরের রাজপথ আওয়ামীলীগের দখলে থাকত। বিনয়ী ও নরম মানুষটি রাজনৈতিক কারণে এবং জনস্বার্থে শক্ত-কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে পারতেন। তাই-তো প্রায় সময়ই নেত্রকোণা পৌরসভা নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থীই বিজয়ী হতেন। নেত্রকোণায় হিন্দু-মুসলমান, আলেম-ওলামা সকলের নিকট তিনি ‘স্যার’ হিসেবেই পরিচিত ছিলেন। বিভিন্ন সংকট ও ক্রান্তিকালে নেত্রকোণার সংখ্যালঘুদের বিপদে-আপদে তিনি পাশে থেকেছেন।

মানুষের পাশে থাকার এই অদম্য দৃঢ়তার জন্যই নেত্রকোণার সকল সম্প্রদায়ের লোকেরা তাঁকে অভিভাবকের মতো সম্মান করেছেন।

২০০৮ সালে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সরকার গঠন করেন। ক্ষমতায় এসেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকারের কাঠামোকে আরো শক্তিশালী করার জন্য উপজেলা পরিষদ পুনরায় গঠন করার সিদ্ধান্ত নেন।

তারই ধারাবাহিকতায় ২০০৯ সালে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিপুল পরিমাণ ভোটের ব্যবধানে অধ্যাপক তফসির উদ্দিন খান উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। নির্বাচিত হওয়ার পর উপজেলা পরিষদের সমস্ত উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড তিনি নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও এলাকার নেতৃবৃন্দকে নিয়ে বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করে গেছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করার নজির নেত্রকোণা সদর উপজেলায় একমাত্র তিনিই রেখে গেছেন।

তিনি ২০০৯ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত অত্যন্ত সফলতার সাথে তাঁর মেয়াদ পূর্ণ করেন। এ সময়ে তাঁর কোন শত্রুও তাঁর বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ কিংবা তাঁর কোন কাজকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ ছিলো না। ফলে পরবর্তী মেয়াদে জনগণের আকাঙ্খার বাস্তবায়নে পুনরায় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। কিন্তু বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ায় তিনি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে যান।

পুনরায় পাঁচবছর পর ২০১৯ সালে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন নিয়ে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেত্রকোণা সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন । দ্বিতীয়বার নির্বাচিত হওয়ার পর বয়স জনিত কারণে তিনি কিছুটা অসুস্থ ছিলেন। তারপরও তিনি নিয়মিত অফিস করতেন।

আসলে তিনি জনগণের দায়িত্ব পালনের এই কাজকে খুব উপভোগ করতেন এবং অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে সার্বক্ষণিক মানুষের পাশে ছিলেন। তিনি সারা উপজেলার দ্বন্দ্ব-সমস্যা নিরসনে সদা সচেষ্ট ছিলেন। অনেক বড়-বড় দ্বন্দ্ব-সমস্যা তিনি উপজেলা পরিষদ অফিসে বসে সমাধান করতেন ।

প্রয়োজন হলে তিনি অসুস্থ শরীর নিয়েও কমিউনিটিতে চলে যেতেন এবং সমস্যার সমাধান করে আসতেন। এমন হয়েছে যে কয়েকবার তিনি এভাবে দরবার-শালিশ করে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালেও ভর্তি হতে হয়েছে। তারপরও তাঁকে রিমোট এলাকায় যাওয়া থেকে বিরত হতে দেখা যায় নি।

এভাবে নেত্রকোণা সদর উপজেলার জনমানুষের নিকট অধ্যাপক তফসির উদ্দিন খান একজন সর্বজনশ্রদ্ধেয় অভিভাবকের মর্যাদা পান। তাঁর কর্মস্থল, উপজেলা পরিষদের কমকর্তা-কর্মচারীদের নিকটও তিনি অভিভাবকের আসনে আসীন ছিলেন। তাঁরা শুধু অফিসিয়াল বিষয় নয়, তাঁদের ব্যক্তিগত-পারিবারিক সমস্যা নিয়েও তাঁর দ্বারস্থ হতেন।

নেত্রকোণার সামাজিক-সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অধ্যাপক তফসির উদ্দিন খান একজন পরিচিত ও অপরিহার্য মানুষ ছিলেন। যে কোনো সামাজিক অনুষ্ঠানে সব সময় তিনি সামনে থেকে নেতৃত্ব প্রদান করেছেন।

তিনি জাতীয় শিশু কিশোর সংগঠন ‘মধুমাছি কচিকাঁচার মেলার নেত্রকোণাস্থ শাখার ‘মধুমাছি কচিকাঁচার মেলা’, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি নেত্রকোণা জেলা ইউনিট, নেত্রকোণা পাবলিক লাইব্রেরি, জেলা শিল্পকলা একাডেমিসহ নেত্রকোণার বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে জড়িত ছিলেন। তিনি আমৃত্যু নেত্রকোণাস্থ ‘মধুমাছি কচিকাঁচার মেলা’ এর সহ-সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

তিনি নেত্রকোণা পৌরসভাস্থ রাজুরবাজার কলেজিয়েট স্কুলের এবং মেদনী ইউনিয়নের বড়ওয়ারী উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতির দায়িত্ব অত্যন্ত নিষ্টা ও সুনামের সহিত পালন করে গেছেন।

নেত্রকোণা জেলা প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠায় তাঁর ভূমিকা ছিলো অগ্রগণ্য । তিনি নেত্রকোণা জেলা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং যে কোন পরিস্থিতিতে নীতি-নির্ধারণী ভূমিকা পালন করে গেছেন। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনার যে কোন সার্বজনীন অনুষ্ঠানে তিনি সব সময় সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে গেছেন।

উদাহরণ স্বরূপ, ২০১২ সালে নেত্রকোণায় যে পক্ষকালব্যাপী বিজয় মেলা উদযাপিত হয় তাতে ‘সদস্য সচিব’ হিসেবে মেলা উদযাপনের পুরো কাজটি অসাধারণ সাফল্যের সাথে বাস্তবায়ন করেছিলেন। উক্ত বিজয়মেলায় নেত্রকোণা জেলার সকল গুণীজনদের সম্মিলন ঘটানো থেকে শুরু করে প্রতিদিন গবেষণাধর্মী প্রবন্ধ উপস্থাপনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের অনেক জানা-অজানা তথ্যের উপস্থাপন ও প্রকাশের ব্যবস্থা করা হয়।

অধ্যাপক তফসির উদ্দিন খান একজন শিক্ষাবিদ ও শিক্ষানুরাগী ছিলেন। তাঁর অধ্যাপনা জীবনে তিনি দেশ ও দেশের বাহিরে অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রী রেখে গেছেন। উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি শিক্ষা সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও শিক্ষকদের প্রতি বিশেষ দৃষ্টি রাখতেন ।

অধ্যাপক তফসির উদ্দিন খানের পরিবার নেত্রকোণা শহরের মোক্তারপাড়ায় বসবাসরত। তাঁর স্ত্রী অধ্যাপক রওশন আখতার নেত্রকোণা সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ এবং নেত্রকোণা মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন। পাশাপাশি তাঁর স্ত্রী নেত্রকোণার স্বনামধন্য বেসরকারি সংগঠন স্বাবলম্বী উন্নয়ন সমিতির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং অনেক সামজিক সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত আছেন।

তিনি এক কন্যা ও এক পুত্র সন্তানের জনক। তাঁর কন্যা-পুত্র বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সংগঠন আওয়ামীলীগ রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত আছেন। তাঁর পুত্র মারুফ হাসান খান অভ্র বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের অঙ্গ-সংগঠন নেত্রকোণা জেলার স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি নেত্রকোণা পাবলিক লাইব্রেরির সম্পাদকের দায়িত্বও অত্যন্ত সুনামের সাথে পালন করে যাচ্ছেন।

এছাড়াও নেত্রকোণা জেলার বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত তিনি। মারুফ হাসান খান অভ্রের স্ত্রী গৃহিনী হিসেবে পারিবারিক দায়িত্ব পালন করছেন।

অধ্যাপক তফসির উদ্দিন খানের একমাত্র মেয়ে তানজিনা খান তরু এক সময় নেত্রকোণার উন্নয়ন সংগঠন স্বাবলম্বী উন্নয়ন সমিতিতে হ্যান্ডি ক্রাফটস শাখার প্রধান হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি হ্যান্ডি ক্রাফটস উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ বিষয়ে দক্ষ ও অভিজ্ঞ। তানজিনা খান তরুর স্বামী কৃষিবিদ ড. শওকত আকবর ফকীর একজন কৃষিগবেষক ও উন্নয়নকর্মী । তিনি নেত্রকোণা জেলার বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন এবং বাংলাদেশ কৃষকলীগের সাথে সম্পৃক্ত।

মৃত্যুকালে অধ্যাপক তফসির উদ্দিন খান স্ত্রী-পুত্র-কন্যা-জামাতা-নাতি-নাতনি-আত্মীয়-স্বজনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

অধ্যাপক তফসির উদ্দিন খানের গুণের কথা বলে শেষ করা যাবে না। অমায়িক ব্যবহার, সহজাত মিশুক ব্যবহার ও ভালোবাসার মাধ্যমে তিনি নেত্রকোণার মানুষের মনের মণিকোঠায় স্থান করে নিয়েছেন। অনেককেই বলতে শুনি, স্যারের সালাম দেয়া ও নেয়াটা একবোরেই ব্যতিক্রম। এমন করে হয়ত আর কেউ সালাম দিতে আর নিতে পারবে না!

প্রবন্ধ লেখক: ড. শওকত আকবর ফকির

আপনার মতামত লিখুন :

 ফেসবুক পেজ

 আজকের নামাজের ওয়াক্ত শুরু

    নেত্রকোণা, ময়মনসিংহ, ঢাকা, বাংলাদেশ
    শুক্রবার, ৭ অক্টোবর, ২০২২
    ১১ Rabi' I, ১৪৪৪
    ওয়াক্তসময়
    সুবহে সাদিকভোর ৪:৩৭ পূর্বাহ্ণ
    সূর্যোদয়ভোর ৫:৫২ পূর্বাহ্ণ
    যোহরদুপুর ১১:৪৬ পূর্বাহ্ণ
    আছরবিকাল ৩:০৯ অপরাহ্ণ
    মাগরিবসন্ধ্যা ৫:৪০ অপরাহ্ণ
    এশা রাত ৬:৫৫ অপরাহ্ণ
নেত্রকোণা সদর উপজেলা পরিষদ উপ-নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান আতাউর রহমান মানিক

নেত্রকোণা সদর উপজেলা পরিষদ উপ-নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান আতাউর রহমান মানিক

ছাত্রলীগের কোন্দলে মধ্যরাতে উত্তপ্ত ইডেন কলেজ, আত্মহত্যার হুমকি নেত্রীর

ছাত্রলীগের কোন্দলে মধ্যরাতে উত্তপ্ত ইডেন কলেজ, আত্মহত্যার হুমকি নেত্রীর

জলবায়ু ইস্যুতে ধনী দেশগুলোর অবদান দুঃখজনক : প্রধানমন্ত্রী

জলবায়ু ইস্যুতে ধনী দেশগুলোর অবদান দুঃখজনক : প্রধানমন্ত্রী

নেত্রকোণা সদর উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক পদে জীবন বৃত্তান্ত জমা দিলেন আয়াতুল ইসলাম রিপন

নেত্রকোণা সদর উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক পদে জীবন বৃত্তান্ত জমা দিলেন আয়াতুল ইসলাম রিপন

মাজার জিয়ারত করে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারনা শুরু করেছেন আতাউর রহমান মানিক

মাজার জিয়ারত করে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারনা শুরু করেছেন আতাউর রহমান মানিক

নেত্রকোণা সদর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী দেওয়ান বাঁধন

নেত্রকোণা সদর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী দেওয়ান বাঁধন

সর্বশেষ সংবাদ সর্বাধিক পঠিত
 
উপদেষ্টা সম্পাদক : দিলওয়ার খান
সম্পাদক ও প্রকাশক : মুহা. জহিরুল ইসলাম অসীম  
অস্থায়ী কার্যালয় : এআরএফবি ভবন, ময়মনসিংহ রোড, সাকুয়া বাজার, নেত্রকোণা সদর, ২৪০০ ।
ফোনঃ ০১৭৩৫ ০৭ ৪৬ ০৪, বিজ্ঞাপনঃ ০১৬৪৫ ৮৮ ৪০ ৫০
ই-মেইল : netrokonajournal@gmail.com
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।