অপো ফাইন্ড এক্স৭ আল্ট্রা স্মার্টফোনের ক্যামেরাকে সেরা হিসেবে ঘোষণা করলো ডিএক্সওমার্ক

ঘরের ভেতরে বা বাইরের পরিবেশে দেয় অনন্য ফটো কোয়ালিটি, বেস্ট-ইন-ক্লাস বোকেহ ও যে কোনো অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের তুলনায় সেরা ভিডিও ধারণের অভিজ্ঞতা

প্রকাশিত: ৪:০৮ অপরাহ্ণ, মার্চ ১৮, ২০২৪

নেজা ডেস্ক রিপোর্টঃ
স্মার্টফোনের ক্যামেরা র‌্যাঙ্কিংয়ে প্রথম স্থান অর্জন করেছে আলটিমেট ক্যামেরা ফোন হিসেবে পরিচিত অপো ফাইন্ড এক্স৭ আল্ট্রা। এর স্বীকৃতি হিসেবে ফোনটিকে ‘গোল্ড ক্যামেরা অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করেছে ফ্রান্সের প্যারিসভিত্তিক কমার্শিয়াল ওয়েবসাইট ডিএক্সওমার্ক।

অপো’র শক্তিশালী হাইপারটোন ক্যামেরা সিস্টেম, অত্যাধুনিক কম্পিউটেশনাল ফটোগ্রাফি এবং প্রো-গ্রেড হ্যাসেলব্লাড টিউনিংয়ের সঙ্গে প্রথমবারের মতো ক্যামেরা হার্ডওয়্যারে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের সমন্বয়ে, ফাইন্ড এক্স৭ আল্ট্রা পেয়েছে ১৫৭ ক্যামেরা স্কোর, যা ডিভাইসটির ক্যামেরাকে দিয়েছে সেরার স্বীকৃতি। এটি বোকেহ এর জন্য রেকর্ড করার মতো সাব-স্কোর পেয়েছে। একইসঙ্গে, যে কোনো অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ভিডিও সাব-স্কোর পেয়ে একটি অনন্য রেকর্ড গড়েছে।

সব পরিস্থিতিতে দেয় অসাধারণ ক্যামেরার অভিজ্ঞতা
ফাইন্ড এক্স৭ আল্ট্রার অনন্য ক্যামেরা সিস্টেম অনেক রিয়েল-ওয়ার্ল্ড সিনারিওতে শীর্ষ স্কোর অর্জন করেছে।
মিশ্র ও কৃত্রিম আলোতে ইনডোর ছবি তোলার ক্ষেত্রে বেশ ভুগতে হয় স্মার্টফোনগুলোকে। তবে এক্ষেত্রে ফাইন্ড এক্স৭ আল্ট্রা ডিএক্সওমার্কের পরীক্ষায় বেশ পারদর্শিতা দেখিয়ে রেকর্ড করার মতো স্কোর তুলেছে। ফোনটির ক্যামেরায় ইনডোর, নাইট-টাইম ও ফ্রেন্ড অ্যান্ড ফ্যামিলি ক্যাটাগরির মতো বিভিন্ন পরিস্থিতিতে ছবি তোলা হয়। এতে অপো’র হাইপারটোন ক্যামেরা সিস্টেমের শক্তি ও এবং বহুমুখিতা প্রকাশ পায়।

ডিএক্সওমার্কের ইমেজ সায়েন্স ইঞ্জিনিয়ার/পণ্য মালিক অলিম্পে করব্লেট বলেন, “অসাধারণ পোর্ট্রেট রেন্ডারিং, বেস্ট-ইন-ক্লাস জুম এবং ফটো ও ভিডিও সংরক্ষণের বিশাল স্টোরেজ সহ আমাদের সব ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষায় অসাধারণ পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেছে ফাইন্ড এক্স৭ আল্ট্রার ক্যামেরা।”

বোকেহ- এর জন্য সেরা রেটযুক্ত স্মার্টফোন অপো ফাইন্ড এক্স৭ আল্ট্রার হ্যাসেলব্লাড পোট্টেট মোডকে সকল স্মার্টফোনের মধ্যে প্রথম র‌্যাঙ্কিংয়ের স্বীকৃতি দিয়েছে ডিএক্সওমার্ক। বোকেহ মোডের বিশেষত্বের মধ্যে রয়েছে সুনির্দিষ্ট ও নির্ভুল ফোরগ্রাউন্ড, কম আর্টিফ্যাক্ট সম্বলিত সাবজেক্ট ও ব্যাকগ্রাউন্ড সেগমেন্টেশন, দারুণ স্কিন টোন রিপ্রোডাকশন। এছাড়াও, এটি স্মার্টফোন ব্যবহারকারীকে অন্যান্য ফোনের পোট্টেট মোডের তুলনায় আরও বিশদ ও ফলপ্রসু ছবি উপহার দেয়।

নতুন হ্যাসেলব্লাড পোর্ট্রেট মোডের কারণে এই বিশ্বমানের পোর্ট্রেট ফটোগ্রাফি করা সম্ভব হয়েছে। ফাইন্ড এক্স৭ আল্ট্রাতে ক্লাসিক্যাল পোর্ট্রেট স্টাইল আনতে হ্যাসেলব্লাডের সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে এটি তৈরি করেছে স্মার্টফোন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অপো। ফটোগ্রাফীতে ওস্তাদ, এমন স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের কথা বিবেচনা করে, ফাইন্ড এক্স৭ আল্ট্রার পোর্ট্রেট মোডে রাখা হয়েছে চারটি ফোকাল লেংথঃ ২৩ এমএম, ৪৪ এমএম, ৬৫ এমএম ও ১৩৫ এমএম। এগুলোর প্রত্যেকটিকে আলাদা হ্যাসেলব্লাড লেন্সে ক্যালিব্রেট করা হয়েছে, যা ফোরগ্রাউন্ড ও ব্যাকগ্রাউন্ডের গভীরতার সঙ্গে সিনেমাটিক বোকেহ তৈরি করে। ফলে এর ক্যামেরার মাধ্যমে এমনকি একটি আলাদা হওয়া চুলেরও একেবারে নির্ভুল ও সূক্ষ্ম ছবি তোলা সম্ভব।

ভিডিওর জন্য ১ নম্বর অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন ফাইন্ড এক্স৭ আলট্রা হলো ডিএক্সওমার্ক ভিডিও স্কোর ১৫৬ প্রাপ্ত একমাত্র অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন। এটি নয়েজ হ্যান্ডলিংয়েও সর্বোচ্চ স্কোর পেয়েছে। ফাইন্ড এক্স৭ আল্ট্রার শক্তিশালী ভিডিও ক্যাপচার ইমেজিংয়ে এর শ্রেষ্ঠত্বের পাশাপাশি নির্মাতা ও চলচ্চিত্র নির্মাতাদের কাছে একটি শক্তিশালী টুল হিসেবে এর অবস্থানকে তুলে ধরে।

উন্নত ক্যামেরা সেন্সরের কারণে ফাইন্ড এক্স৭ আলট্রা ৪কে রেজুলেশনে ১০-বিট ডলবি ভিশন এইচডিআর ভিডিও ক্যাপচার করতে পারে। প্রো-গ্রেড ভিডিও ক্যামেরার অভিজ্ঞতা দেওয়ার জন্য এর চারটি ক্যামেরার মধ্যে ট্রানজিশনও অত্যন্ত মসৃণভাবে হয়ে থাকে।

ফাইন্ড এক্স৭ আলট্রা – আলটিমেট ক্যামেরা
ডিএক্সওমার্কের বিশ্লেষণ নিশ্চিত করে যে, ফাইন্ড এক্স৭ আলট্রা হলো আলটিমেট ক্যামেরা ফোন। এতে রয়েছে বড় সেন্সরসহ চারটি ৫০এমপি ক্যামেরা। এর মধ্যে একটি হলো মোবাইলে ব্যবহৃত সনির দ্বিতীয়-প্রজন্মের নতুন ১-ইঞ্চি সেন্সর, এবং দুইটি হল পেরিস্কোপ জুম ক্যামেরা। এটি এমনভাবে অপটিক্যাল ফোকাল লেংথের মধ্যে জুম গ্যাপ পূরণ করতে পারে, যা আগে কোনো স্মার্টফোনে দেখা যায়নি।

বিশ্ব মানের ইমেজিং সিস্টেমটি উন্নত ফটোগ্রাফি এবং ভিডিওর অভিজ্ঞতা দিতে পারে, যাতে আপনি আত্মবিশ্বাসের সাথে অসাধারণ এক স্মার্টফোন দিয়ে আপনার সেরা ছবিটি তুলতে পারেন।

শীর্ষস্থানীয় গ্লোবাল স্মার্ট ডিভাইস ব্র্যান্ড ‘অপো’, ২০০৮ সালে ‘স্মাইলি ফেস’ মোবাইল ফোন এর মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে এবং সে থেকে কোম্পানিটি নান্দনিক উৎকর্ষতা ও অভিনব প্রযুক্তির সমন্বয়ে সেরা পণ্যটি গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দিতে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে অপো ‘দ্য ফাইন্ড’ ও ‘রেনো’ সিরিজে জনপ্রিয় ডিভাইসগুলো সহ বৈচিত্র্যময় বিভিন্ন স্মার্টফোন সরবরাহ করছে। মোবাইল ফোন ছাড়াও অপো ব্যবহারকারীদের ‘কালারস অপারেটিং সিস্টেম’ এবং ইন্টারনেট সার্ভিসেস যেমন- অপো ক্লাউড এবং অপো+ সেবা সরবরাহ করছে। বিশ্বের ৬০টির বেশি দেশ ও অঞ্চলে অপোর ‘ফুটপ্রিন্ট’ রয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানটির ৪০ হাজারের বেশি কর্মী বিশ্বজুড়ে ভোক্তাদের জন্য সুন্দর আগামী বিনির্মাণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।