ঐতিহাসিক ৭ই মার্চে নেত্রকোণা জেলা প্রশাসক এর বাণী

প্রকাশিত: ২:৩৫ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ৭, ২০২৪

নেজা ডেস্কঃ
ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ বাঙালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের এক অনন্য দিন। সুদীর্ঘকালের আপসহীন আন্দোলনের এক পর্যায়ে ১৯৭১ সালের এই দিনে তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) বিশাল জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক দেন।

এ দিন লাখ লাখ মুক্তিকামী মানুষের উপস্থিতিতে জাতির অবিসংবাদিত মহান নেতা বজ্রকণ্ঠে ঘোষণা করেন, ‘রক্ত যখন দিয়েছি রক্ত আরো দেব, এদেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাআল্লাহ। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’ ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধুর এই উদ্দীপ্ত ঘোষণায় বাঙালি জাতি পেয়ে যায় মুক্তিযুদ্ধের দিকনির্দেশনা।

বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে ৯ মাসের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয়ের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতার রক্তিম সূর্য ছিনিয়ে আনে বাঙালি জাতি। বিশ্ব মানচিত্রে জন্ম নেয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণকে ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো ‘বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে ‘ইন্টারন্যাশনাল মেমোরি অব দ্যা ওয়ার্ল্ড রেজিস্টার’-এ অন্তর্ভুক্ত করে।

ঐতিহাসিক এই দিনে গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতায় স্মরণ করছি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৫ আগষ্টের সকল শহীদ, মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাগণকে এবং ২ লক্ষ মা বোনদের।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ইতোমধ্যে আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছি এবং ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে ‌স্মার্ট বাংলাদেশে রূপান্তরিত করব।

‘জয় বাংলা’ স্লোগান এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর ৭ই মার্চের ভাষণ আমাদের উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে অনুপ্রেরণা যোগাবে।

(শাহেদ পারভেজ)
জেলা প্রশাসক
নেত্রকোণা।