সব
facebook netrokonajournal.com
কোরবানির গাভী/ছাগীর পেটে বাচ্ছা পাওয়া গেলে করণীয় কি? আসুন জেনে নিই | নেত্রকোণা জার্নাল

কোরবানির গাভী/ছাগীর পেটে বাচ্ছা পাওয়া গেলে করণীয় কি? আসুন জেনে নিই

প্রকাশের সময়:

কোরবানির গাভী/ছাগীর পেটে বাচ্ছা পাওয়া গেলে করণীয় কি? আসুন জেনে নিই

কোরবানির পশুর পেটে বাচ্চা থাকা অবস্থায় পশু কোরবাণী করায় শরী‘আতে কোন বাধা নেই। 

এছাড়া উক্ত পশুর গোশত খাওয়া যাবে। এমনকি রুচি হ’লে পেটের বাচ্চাও খেতে পারে। আবু সাঈদ খুদরী বলেন, আমি বললাম হে আল্লাহর রাসূল! আমরা উটনী, গাভী ও ছাগী যবেহ করি এবং কখনো কখনো আমরা তার পেটে বাচ্চা পাই। আমরা ঐ বাচ্চা ফেলে দিব, না খাব? রাসূল (ছাঃ) বললেন, ‘তোমাদের ইচ্ছা হ’লে খাও। কারণ বাচ্চার মাকে যবেহ করা বাচ্চাকে যবেহ করার শামিল’

(আবুদাউদ হা(২৮২৮) মিশকাত হা(৪০৯১-৪০৯৩)।
==================
❇পশুর পেটের বাচ্চা যবাহ করা সম্পর্কে❇

بَابُ مَا جَاءَ فِي ذَكَاةِ الْجَنِينِ حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ، ح وحَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، عَنْ مُجَالِدٍ، عَنْ أَبِي الْوَدَّاكِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، قَالَ: سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنِ الْجَنِينِ فَقَالَ: كُلُوهُ إِنْ شِئْتُمْ. وَقَالَ مُسَدَّدٌ: قُلْنَا: يَا رَسُولَ اللَّهِ نَنْحَرُ النَّاقَةَ، وَنَذْبَحُ الْبَقَرَةَ وَالشَّاةَ فَنَجِدُ فِي بَطْنِهَا الْجَنِينَ أَنُلْقِيهِ أَمْ نَأْكُلُهُ؟ قَالَ: كُلُوهُ إِنْ شِئْتُمْ فَإِنَّ ذَكَاتَهُ ذَكَاةُ أُمِّهِ صحيح
২৮২৭। আবূ সাঈদ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে যবাহকৃত পশুর পেটের বাচ্চা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেনঃ তোমাদের ইচ্ছে হলে তাও খেতে পারো। মুসাদ্দাদ (রহঃ)-এর বর্ণনায় রয়েছেঃ ‘আমরা বলি, হে আল্লাহ রাসূল! ‘আমরা উষ্ট্রী, গাভী ও বকরী যবাহ করার পর কখনো এর পেটে ভ্রূণ পেয়ে থাকি। ‘আমরা এ ভ্রূণ ফেলে দিবো নাকি খাবো? তিনি বললেনঃ ইচ্ছা হলে খেতে পারো। কেননা মাকে যবাহ করাই এর যবাহের অন্তর্ভুক্ত।[1]. সহীহ।

সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)হাদিস নম্বরঃ ২৮২৭
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
==================
✳পশুর পেটের বাচ্চা যবাহ করা✳

بَابُ مَا جَاءَ فِي ذَكَاةِ الْجَنِينِ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ فَارِسٍ، حَدَّثَنِي إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ رَاهَوَيْهِ، حَدَّثَنَا عَتَّابُ بْنُ بَشِيرٍ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي زِيَادٍ الْقَدَّاحُ الْمَكِّيُّ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: ذَكَاةُ الْجَنِينِ ذَكَاةُ أُمِّهِ صحيح
২৮২৮। জাবির ইবনু ‘আব্দুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ পশুকে যবাহ করাই তার পেটের বাচ্চার যবাহের জন্য যথেষ্ট[1]. সহীহ।

সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)হাদিস নম্বরঃ ২৮২৮
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
==================
❇জানীন (পশুর গর্ভস্থ ভ্রুণ) যবেহ করা বিষয়ে❇

باب مَا جَاءَ فِي ذَكَاةِ الْجَنِينِ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ مُجَالِدٍ، ح قَالَ وَحَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ وَكِيعٍ، حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ، عَنْ مُجَالِدٍ، عَنْ أَبِي الْوَدَّاكِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ “‏ ذَكَاةُ الْجَنِينِ ذَكَاةُ أُمِّهِ ‏”‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ جَابِرٍ وَأَبِي أُمَامَةَ وَأَبِي الدَّرْدَاءِ وَأَبِي هُرَيْرَةَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ وَقَدْ رُوِيَ مِنْ غَيْرِ هَذَا الْوَجْهِ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَغَيْرِهِمْ وَهُوَ قَوْلُ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ وَابْنِ الْمُبَارَكِ وَالشَّافِعِيِّ وَأَحْمَدَ وَإِسْحَاقَ ‏.‏ وَأَبُو الْوَدَّاكِ اسْمُهُ جَبْرُ بْنُ نَوْفٍ ‏.‏
১৪৭৬। আবূ সাঈদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জানীন (গর্ভস্থ ভ্রুণ)-এর মাকে যবেহ করাই এর জন্য যথেষ্ট।

সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩১৯৯)

জাবির, আবূ উমামা, আবূদ দারদা ও আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। এ হাদীসটি আবূ সাঈদ (রাঃ) হতে অন্য সূত্রেও বর্ণিত হয়েছে।

এ হাদীস মোতাবিক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অভিজ্ঞ সাহাবী ও তৎপরবর্তী আলিমগণ আমল করেছেন। সুফিয়ান সাওরী, ইবনুল মুবারাক, শাফিঈ, আহমাদ এবং ইসহাকও এই মত ব্যক্ত করেছেন (গর্ভবতী পশু যবেহ করলে তার গর্ভস্থ বাচ্চা আলাদা করে যবেহ করার দরকার হবে না)। আবূল ওয়াদাক-এর নাম জাবর, পিতা নাওফ।

সূনান আত তিরমিজী [তাহকীককৃত]হাদিস নম্বরঃ ১৪৭৬
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
==================
❇পেটের বাচ্চার জন্য তার মায়ের যবেহ-ই যথেষ্ট✳

بَاب ذَكَاةِ الْجَنِينِ ذَكَاةُ أُمِّهِ حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ الْمُبَارَكِ وَأَبُو خَالِدٍ الْأَحْمَرُ وَعَبْدَةُ بْنُ سُلَيْمَانَ عَنْ مُجَالِدٍ عَنْ أَبِي الْوَدَّاكِ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ قَالَ سَأَلْنَا رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ الْجَنِينِ فَقَالَ كُلُوهُ إِنْ شِئْتُمْ فَإِنَّ ذَكَاتَهُ ذَكَاةُ أُمِّهِ» قَالَ أَبُو عَبْد اللهِ سَمِعْتُ الْكَوْسَجَ إِسْحَقَ بْنَ مَنْصُورٍ يَقُولُ فِي قَوْلِهِمْ فِي الذَّكَاةِ لَا يُقْضَى بِهَا مَذِمَّةٌ قَالَ مَذِمَّةٌ بِكَسْرِ الذَّالِ مِنْ الذِّمَامِ وَبِفَتْحِ الذَّالِ مِنْ الذَّمِّ
১/৩১৯৯। আবূ সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট গর্ভবতী পশুর পেটের বাচ্চা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বলেনঃ তোমরা ইচ্ছা করলে তা খেতে পারো। কেননা তার মায়ের যবেহ তার যবেহ-এর জন্য যথেষ্ট।

২. উত্তর অবশ্যই প্রশ্ন অনুপাতে হতে হবে। সাহাবীগণ এক্ষেত্রে যাবাহ করার পদ্ধতি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেননি যে, তার উত্তরে বলা হবে ভ্রূণকে যাবাহ করতে হবে যেমনিভাবে মাকে যাবাহ করা হয়। বরং তারা জিজ্ঞেস করেছিলেন ভ্রূণ খাওয়া সম্পর্কে যা তারা যাবাহ করার পর কখনো কখনো পেটে পায়। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা হালাল হিসেবে খাওয়ার অনুমতি দিলেন এবং তার মায়ের যাবাহকেই তার ভ্রুণের যাবাহ হিসেবে গণ্য করলেন। তাই ভ্রূণকে আলাদা হিসেবে যাবাহ করার প্রয়োজন নেই।
৩. সকল মানুষদের মাঝে সাহাবীগণই রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উদ্দেশ্য সবচেয়ে ভালো বুঝতেন। তারা এ হাদীস থেকে বুঝেছেন যে, মাকে যাবাহ করার দ্বারাই ভ্রুণের যাবাহ হয়ে যাবে। আলাদাভাবে তাকে যাবাহ করতে হবে না। বরং তা যাবাহ করা ছাড়াই খাওয়া যাবে। ‘আবদুল্লাহ ইবনু কা‘ব ইবনু মালিক বলেনঃ সাহাবীগণ বলতেন, যদি গর্ভে থাকা ভ্রূণ সম্পর্কে জানা যায় তাহলে তার মাকে যাবাহ করার দ্বারাই তার ভ্রুণের যাবাহ হয়ে যায়। এ ব্যাপারে সকলের মত এটাই ছিল।
ইবনুল মুনযির (রহিমাহুল্লাহ) বলেনঃ ভ্রূণ যাবাহ করা ছাড়া খাওয়াই লোকেরা বৈধ হিসেবে দেখত। আর এ ব্যাপারে কেউ ভিন্ন মত পোষণ করেছেন বলে আমরা জানি না। কিন্তু যখন নু‘মান ইবনু সাবিত (ইমাম আবূ হানীফাহ্) আসলেন তখন তিনি বললেনঃ ভ্রূণ আলাদাভাবে যাবাহ করা ছাড়া খাওয়া যাবে না। কারণ একটি প্রাণী যাবাহ করাটা দু’টি প্রাণী যাবাহ করার স্থলাভিষিক্ত হতে পারে না।
৪. শারী‘আতে এটা স্বীকৃত যে, বিভিন্ন পশুকে বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে যাবাহ করা হয়ে থাকে। যেমন শিকারী পশুকে যে কোন স্থানে আঘাত করে রক্ত বের করার মাধ্যমেও যাবাহ করা হয়ে যায়। আর এটা জানা কথা যে, মাকে যাবাহ করা ছাড়া তার ভ্রূণকে যাবাহ করা অসম্ভব। তাই এ ক্ষেত্রে মাকে যাবাহ করার দ্বারাই তার ভ্রূণও যাবাহ হয়ে যাবে। তার জন্য আলাদাভাবে যাবাহের প্রয়োজন নেই।
৫. হাদীসের বাক্য ( ﺫَﻛَﺎﺓ ﺍﻟْﺠَﻨِﻴﻦ ﺫَﻛَﺎﺓ ﺃُﻣّﻪ ) অর্থাৎ মাকে যাবাহ করার অর্থ তার ভ্রুনকে যাবাহ করা। এ বাক্যটি ঠিক এই বাক্যের মতো যেটা বলা হয় ( ﻏِﺬَﺍﺀ ﺍﻟْﺠَﻨِﻴﻦ ﻏِﺬَﺍﺀ ﺃُﻣّﻪ ) অর্থাৎ ভ্রুণের খাবার হলো তার মায়ের খাবার। সুতরাং এ বাক্য থেকে যেটা বুঝা যায় তা হলো, ভ্রুণের জন্য আলাদা খাবারের প্রয়োজন নেই। ঠিক ( ﺫَﻛَﺎﺓ ﺍﻟْﺠَﻨِﻴﻦ ﺫَﻛَﺎﺓ ﺃُﻣّﻪ ) বাক্য দ্বারা বুঝা যায় যে, ভ্রুণের জন্য আলাদাভাবে যাবাহের প্রয়োজন নেই।
৬. ভ্রূণকে তার মায়ের মতো যাবাহ করা হবে যদি তা জীবিত অবস্থায় বের হয়। আর তখন তাকে আলাদাভাবে যাবাহ করা ছাড়া খাওয়া যাবে না।
কিন্তু কথা হলো সাহাবীগণ তো রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ জীবিত ভ্রূণ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেননি এবং তাদেরকে সেই উত্তরও রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দেননি। আর তাদের প্রশ্ন থেকেও এটা বুঝা যায় না এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উত্তরটা সেই ধরনের জীবিত ভ্রূণ সম্পর্কেও না।

সাহাবীগণ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলেছিলেন আমরা গরু, ছাগল যাবাহ করি। আর কখনো তাতে আমরা ভ্রূণ পাই। আমরা তা খাব নাকি ফেলে দিব? তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের উত্তরে বললেন, যদি তোমাদের ইচ্ছা হয় তাহলে খেতে পার। কেননা তার যাবাহ করাটা হলো তার মাকে যাবাহ করাই। তারা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করেছিলেন তা খাওয়া সম্পর্কে যে, সেটা তাদের জন্য খাওয়া হালাল হবে কিনা?

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের জন্য তা খাওয়ার ফায়সালা দিলেন এবং ভ্রূণ মৃত হওয়ার কারণে তাদের মাঝে যে সংশয় সৃষ্টি হয়েছিল তা তিনি দূর করে দিলেন। এ কথা বলার মাধ্যমে যে, ভ্রুণের যাবাহ হয়ে যাবে তার মাকে যাবাহ করার দ্বারাই।
আর এটা স্পষ্ট যে, যদি ( ﺫَﻛَﺎﺓ ﺍﻟْﺠَﻨِﻴﻦ ﺫَﻛَﺎﺓ ﺃُﻣّﻪ ) এর অর্থ করা হয় ‘‘তোমরা ভ্রূণকে যাবাহ কর যেভাবে তার মাকে যাবাহ করতে হয়।’’ তাহলে প্রশ্ন আর উত্তরের সাথে মিল থাকে না। সুতরাং যদি ভ্রূণকে আলাদাভাবে যাবাহ করার প্রয়োজন হত, তাহলে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেন, যদি ভ্রূণ জীবিত বের হয় তাহলে তোমরা তা যাবাহ করে খেতে পার। আর তাকে যাবাহ করার পদ্ধতি হলো তার মাকে যাবাহ করার মতোই।

কিন্তু বর্ণিত হাদীস ভ্রূণকে আলাদাভাবে যাবাহ করার কথা প্রমাণ করে না। ﻭﺍﻟﻠﻪ ﺃﻋﻠﻢ (আল্লাহ এ ব্যপারে অধিক অবগত) (‘আওনুল মা‘বূদ ৫ম খন্ড, হাঃ ২৮৬৫)
মিরকাতের লেখক বলেনঃ শারহুস্ সুন্নাহ গ্রন্থে রয়েছে, এ হাদীসেই প্রমাণ রয়েছে যে, যদি কেউ কোন প্রাণী যাবাহ করে আর তাতে কোন মৃত ভ্রূণ পাওয়া যায় তাহলে তা খাওয়া হালাল। আর এটা হলো অধিকাংশ বিদ্বান সাহাবীগণের মত এবং তাদের পরবর্তী ‘আলিমদের মতও।

ইমাম শাফি‘ঈ (রহিমাহুল্লাহ)-ও এ মত পোষণ করেছেন। তবে তাদের কেউ কেউ ভ্রুণের মাঝে জীবন পাওয়াকে শর্ত করেছেন। যদি ভ্রূণ জীবিত অবস্থায় বের হয় তাহলে তাকে যাবাহ করতে হবে।

যায়নুল ‘আরব বলেনঃ যদি মাকে যাবাহ করার পরেই ভ্রূণ নাড়াচাড়া না করে তাহলে তা খাওয়া যাবে। কিন্তু যদি দীর্ঘ সময় নড়াচাড়া করার পর বন্ধ করে দেয় তাহলে তা খাওয়া হারাম। যদি ভ্রুণের কিছু অংশ বের হয়ে যায় আর সেই সময় তার মাকে যাবাহ করা হয় পরিপূর্ণভাবে ভ্রূণ বের হওয়ার আগেই তবুও তা খাওয়া বৈধ হবে। (মিরক্বাতুল মাফাতীহ)

সহীহ : আবূ দাঊদ, ২৮২৮, তিরমিযী ১৪৭৬, দারিমী ১৯৭৯, ইবনু মাজাহ ৩১৯৯, সহীহ ইবনু হিব্বান ৫৮৮৯, মা‘রিফাতুস্ সুনান ওয়াল আসার লিল বায়হাক্বী ৫৯৪৪, মুসান্নাফ ‘আবদুর রায্যাক ৮৬৪৯, মুসান্নাফ ইবনু আবূ শায়বাহ্ ৩৬১৫০, মুসনাদে আহমাদ ১১৩৪৩। মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)হাদিস নম্বরঃ ৪০৯১

আপনার মতামত লিখুন :

 ফেসবুক পেজ

 আজকের নামাজের ওয়াক্ত শুরু

    নেত্রকোণা, ময়মনসিংহ, ঢাকা, বাংলাদেশ
    মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২২
    ৪ Jumada I, ১৪৪৪
    ওয়াক্তসময়
    সুবহে সাদিকভোর ৫:০২ পূর্বাহ্ণ
    সূর্যোদয়ভোর ৬:২২ পূর্বাহ্ণ
    যোহরদুপুর ১১:৪৬ পূর্বাহ্ণ
    আছরবিকাল ২:৫০ অপরাহ্ণ
    মাগরিবসন্ধ্যা ৫:১১ অপরাহ্ণ
    এশা রাত ৬:৩০ অপরাহ্ণ
এর আরও খবর
যুবরাজ সালমানকে সৌদি আরবের প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা

যুবরাজ সালমানকে সৌদি আরবের প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা

জুমার দিনের ফজিলত ও জুমার আগে চার আমল

জুমার দিনের ফজিলত ও জুমার আগে চার আমল

প্রস্রাব-পায়খানার পর ঢিলা বা টিস্যু ব্যবহারের পরেও পানি খরচ কি খুব জরুরি?

প্রস্রাব-পায়খানার পর ঢিলা বা টিস্যু ব্যবহারের পরেও পানি খরচ কি খুব জরুরি?

মাদকের ভয়াল থাবা: শাস্তি ও প্রতিকারের উপায়

মাদকের ভয়াল থাবা: শাস্তি ও প্রতিকারের উপায়

দুর্গাপুরে আবু তালহা রা: মাদ্রাসায় ২৬ জন শিক্ষার্থীর কোরআন শরীফ ছবকদান

দুর্গাপুরে আবু তালহা রা: মাদ্রাসায় ২৬ জন শিক্ষার্থীর কোরআন শরীফ ছবকদান

কন্যা সন্তান উত্তম : মুফতি আতাউল্লাহ বাশার

কন্যা সন্তান উত্তম : মুফতি আতাউল্লাহ বাশার

সর্বশেষ সংবাদ সর্বাধিক পঠিত
 
উপদেষ্টা সম্পাদক : দিলওয়ার খান
সম্পাদক ও প্রকাশক : মুহা. জহিরুল ইসলাম অসীম  
অস্থায়ী কার্যালয় : এআরএফবি ভবন, ময়মনসিংহ রোড, সাকুয়া বাজার, নেত্রকোণা সদর, ২৪০০ ।
ফোনঃ ০১৭৩৫ ০৭ ৪৬ ০৪, বিজ্ঞাপনঃ ০১৬৪৫ ৮৮ ৪০ ৫০
ই-মেইল : netrokonajournal@gmail.com
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।