সব
facebook netrokonajournal.com
দুর্ভিক্ষ কেন আসে? এর থেকে উত্তরনের উপায় সম্পর্কে ইসলামি নির্দেশনা কি? | নেত্রকোণা জার্নাল

দুর্ভিক্ষ কেন আসে? এর থেকে উত্তরনের উপায় সম্পর্কে ইসলামি নির্দেশনা কি?

প্রকাশের সময়:

দুর্ভিক্ষ কেন আসে? এর থেকে উত্তরনের উপায় সম্পর্কে ইসলামি নির্দেশনা কি?

ইসলামিক জার্নাল ডেস্ক :
জল–স্থলে বিপর্যয় মানুষের কৃতকর্মের ফল। (সুরা-৩০ রুম, আয়াত: ৪১)।

এমতাবস্থায় এমন আজাব ও গজব তথা সামাজিক ও প্রাকৃতিক বিপর্যয় আসবে, যা থেকে কেউ রক্ষা পাবে না এবং সে প্রকৃতির রোষ থেকে নিরপরাধ লোকেরাও রেহাই পাবে না। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেন, ‘তোমরা এমন ফিতনাকে ভয় করো, যা বিশেষ করে তোমাদের মধ্যে যারা জালিম (অত্যাচারী-অপরাধী) কেবল তাদিগকেই ক্লিষ্ট করবে না এবং জেনে রাখো নিশ্চয়ই আল্লাহ শাস্তি প্রদানে কঠোর।’ (সুরা-৮ আনফাল, আয়াত: ২৫)।

এ প্রকার সামাজিক ও জাতীয় দুর্যোগের কারণ হলো ‘আমর বিল মারুফ’ তথা ‘সৎকাজের আদেশ’ ও ‘নাহি আনিল মুনকার’ অর্থাৎ ‘অসৎকাজের নিষেধ করা’ ছেড়ে দেওয়া। এর থেকে পরিত্রাণের উপায় হলো বিশ্বাস, সৎকর্ম, সদুপদেশ ও ধৈর্য। আল্লাহ তাআলা কোরআন মাজিদে বলেন, ‘সময়ের শপথ! মানুষ ক্ষতির মধ্যে রয়েছে; তবে তারা ছাড়া যারা ইমান এনেছে ও সৎকাজ করেছে এবং একজন অন্যজনকে হক কথার ও সবর করার উপদেশ দিয়েছে।’ (সুরা-১০৩ আসর, আয়াত: ১-৩)।

মানুষের বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষার জন্য অন্য যে গুণটি বিশেষ প্রয়োজন, তা হলো দায়িত্বশীল হওয়া। সৎকর্ম ও কর্তব্যপরায়ণতা ব্যতীত শুধু ইমান মানুষকে অনিষ্ট, অকল্যাণ ও অমঙ্গল থেকে সম্পূর্ণ রক্ষা করতে পারে না। অন্য যেসব বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলি পারস্পরিক, যা সামগ্রিক ক্ষতি, অমঙ্গল ও অকল্যাণ থেকে বাঁচার জন্য একান্ত জরুরি তা হচ্ছে সৎকর্ম, সদুপদেশ ও ধৈর্য তথা সহিষ্ণুতা ও সহনশীলতা।

সমাজের প্রত্যেক ব্যক্তি নিজে যেমন শুদ্ধাচার, সত্যপ্রীতি, সত্যনীতি ও ন্যায়নিষ্ঠার ওপর প্রতিষ্ঠিত থাকবে এবং সঙ্গে সঙ্গে অন্যদেরও এই কর্মপদ্ধতি অবলম্বন করার উপদেশ দেবে। এই জিনিসই সমাজকে পতন ও ধ্বংস থেকে রক্ষা করার নিশ্চয়তা দেবে। যারা নিজেরা সৎ থাকবে, কিন্তু সমাজে অন্যায় দেখে নীরব থাকবে, তারাও একদিন সবার সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ কথাই বলা হয়েছে হজরত দাউদ (আ.) ও হজরত ঈসা (আ.)–এর ভাষায়, ‘বনি ইসরাইলদের লানত ও অভিশাপ দিয়ে। এই লানত ও অভিশাপের কারণ ছিল তাদের সমাজে পাপাচার, অন্যায় ও জুলুম ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল এবং লোকেরা পরস্পরকে খারাপ কাজে বাধা দেওয়া থেকে বিরত থেকেছিল।’ (সুরা-১৭ ইসরা, আয়াত: ৭৮-৭৯)।

নগর সুরক্ষা ও নাগরিকদের জান–মালের নিরাপত্তার জন্য আমাদের সব নিয়মনীতি মেনে চলতে হবে। অন্যথায় আল্লাহর নির্দেশ অমান্য করা ও নবীজি (সা.)–এর সুন্নাহর নির্দেশনা উপেক্ষা করা এবং হক্কুল ইবাদ বা বান্দার হক বিনষ্ট করার দায়ে আল্লাহর আদালতে জালিম হিসেবে অভিযুক্ত হতে হবে।

খাব্বাব বিন আরাত্ত (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ একদা আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদেরকে নিয়ে খুব লম্বা নামায পড়লেন। লোকেরা বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! আপনি এমন নামায পড়লেন, যা আগে পড়তেন না।’ তিনি বললেন, “হ্যাঁ, এটি ছিল আগ্রহ ও ভীতির নামায। আমি এতে আল্লাহর নিকট তিনটি জিনিস প্রার্থনা করলাম। কিন্তু তিনি আমাকে দু’টি জিনিস দান করলেন এবং একটি জিনিস দিলেন না। আমি প্রার্থনা করলাম, তিনি যেন আমার উম্মতকে দুর্ভিক্ষ-কবলিত করে ধ্বংস না করেন, তিনি আমাকে তা দিলেন। আমি চাইলাম, তিনি যেন আমার উম্মতের উপর কোন পর-শত্রুকে আধিপত্য না দেন, তিনি আমাকে তা দিলেন। আমি চাইলাম, তিনি যেন আমার উম্মতের মাঝে গৃহদ্বন্দ্ব না রাখেন, তিনি আমাকে তা দিলেন না।” [তিরমিযী ২১৭৫, নাসাঈ, আহমাদ ২১০৫৩, মিশকাত ৩/২৫০]

অন্য এক বর্ণনায় আছে, “আমি চাইলাম, তিনি যেন তোমাদেরকে বিভিন্ন দলে বিভক্ত করে এক দলকে অপর দলের নিপীড়নের আস্বাদ গ্রহণ না করান, কিন্তু তিনি আমাকে তা দিলেন না।” (সহীহহুল জামে’ ২৪৩৩)

মহামারীর কারণ:
কোনো জাতির মাঝে আল্লাহর অবাধ্যতা বেড়ে গেলে, অবাধে সবাই পাপাচারে লিপ্ত হলে আল্লাহ্‌ নানানভাবে শাস্তি তাদের দেন। ভূমিকম্প, ঝড় তুফান, জলোচ্ছ্বাস, মহামারি ইত্যাদি। অশ্লীলতা, জঘন্য পাপ বেড়ে যাওয়া ইত্যাদি কারণে এই আযাবগুলো আসে। অতীতেও পাপাচারের শাস্তি হিসেবে মহামারি প্রাদুর্ভাব ঘটেছে।

✪ আল্লাহর নির্দেশ অমান্য করার জন্য –
فَبَدَّلَ الَّذِينَ ظَلَمُواْ قَوْلاً غَيْرَ الَّذِي قِيلَ لَهُمْ فَأَنزَلْنَا عَلَى الَّذِينَ ظَلَمُواْ رِجْزاً مِّنَ السَّمَاء بِمَا كَانُواْ يَفْسُقُونَ
অতঃপর যালেমরা কথা পাল্টে দিয়েছে, যা কিছু তাদেরকে বলে দেয়া হয়েছিল তা থেকে। তারপর আমি অবতীর্ণ করেছি যালেমদের উপর আযাব, আসমান থেকে, নির্দেশ লংঘন করার কারণে। (সূরা বাকারাঃ ৫৯)

✪ দ্বীনের ব্যাপারে উদাসীনতা-
আল্লাহ তাআ’লা বলেন,
أَلَمْ تَرَ إِلَى الَّذِينَ خَرَجُواْ مِن دِيَارِهِمْ وَهُمْ أُلُوفٌ حَذَرَ الْمَوْتِ فَقَالَ لَهُمُ اللّهُ مُوتُواْ ثُمَّ أَحْيَاهُمْ إِنَّ اللّهَ لَذُو فَضْلٍ عَلَى النَّاسِ وَلَـكِنَّ أَكْثَرَ النَّاسِ لاَ يَشْكُرُونَ
‘তুমি কি তাদের দেখনি যারা মৃত্যুভয়ে হাজারে হাজারে স্বীয় আবাসভূমি ত্যাগ করেছিল। অতঃপর আল্লাহ তাদের বলেছিলেন, তোমাদের মৃত্যু হোক। তারপর আল্লাহ তাদের জীবিত করেন।’
সূরা বাকারাঃ ২৪৩

আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাযি. বলেন, ‘তারা সংখ্যায় ছিল চার হাজার। মহামারির ভয়ে তারা পালিয়ে ছিল। তারা বলেছিল, আমরা এমন ভূমিতে যাব যেখানে মৃত্যু নেই। অতঃপর তারা এক স্থানে একত্র হলো। তখন আল্লাহ তাদের ওপর মৃত্যুর ফরমান জারি করেন।’ [তাফসির ইবনে কাসীর]

✪ দায়িত্ব পালনেও অবহেলা-
যখন কোনো জাতির ওপর আযাব আসে, তখন শুধু পাপীরাই এতে আক্রান্ত হয় না। বরং মহামারি শুরু হলে নেক বান্দারাও আক্রান্ত হয়। দ্বীনি দায়িত্ব পালনে অবহেলা করা, নেক কাজের আদেশ এবং অসৎ কাজে বাঁধা প্রদান করা ছেড়ে দেয়ার কারণে এই আযাব আসে।

হজরত আবু বাকরাহ (রা.) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন -মহান আল্লাহ বিদ্রোহী ও আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারীর মতো; অন্য কাউকে দুনিয়াতে অতিদ্রুত আজাব দেওয়ার পরও আখিরাতের আজাবও তার জন্য জমা করে রাখেননি।’ (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস ৪৯০২)।

দুর্ভিক্ষ চিন্তা নিয়ে বাংলাদেশ খুব আয়েশেই আছে মনে হচ্ছে। ভাবছে দুর্ভিক্ষ আইলা, নার্গিস, সিত্রাং এর মতো কোন ঘূর্ণিঝড়। আসবে, কোন এলাকা একটু লণ্ডভণ্ড করবে আর চলে যাবে।

ছোট বেলায় শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন এর আঁকা ১১৭৬ বাংলা সালের সেই ৭৬ এর মনন্তর এর ছবির দেখা দুর্ভিক্ষ আমাদের মনে গেঁথে দিয়েছে। কাক, কুকুর মানুষের বিভৎস ছবি। দুর্ভিক্ষ বলতে আমরা বুঝি সোমালিয়ার কালো কালো হাড্ডিসার মানুষ, উলংগ শিশুদের ক্ষুধা জ্বালায় কান্নার ছবি।

১৭৭০ ইংরেজি তথা ১১৭৬ বাংলা সনে শুরু হওয়া সেই দুর্ভিক্ষ শেষ হয়েছে ৫ বছর পরে। এর প্রভাব রয়ে গিয়েছিল আরো ২৫ বছর। ইংরেজ দের কাছে বাংলার স্বাধীনতা হারিয়ে এদেশের মানুষ অল্প কিছুদিনের মধ্যেই পতিত হয়েছিল দুর্ভিক্ষের কবলে। কারন জনবান্ধব সরকার ছিল না বেনিয়া ইংরেজরা। প্রাকৃতিক দূর্যোগ, যুদ্ধ বা অন্যান্য কারনে খাদ্যশস্য ঘাটতি এবং সুষম বন্টন ব্যবস্থা না থাকলে দুর্ভিক্ষে পতিত হতে পারে যেকোন সমৃদ্ধ দেশ। দেশের টাকা লুটপাট করে পাচার করলে, অহেতুক উন্নয়নের নামে অপচয় করলে, মাত্রাতিরিক্ত ধারদেনা করলে দেশ দুর্ভিক্ষে পরতে পার।

১৯৭৪ সালে প্রথম যে দুর্ভিক্ষ হয়েছিল বাংলাদেশে সেটাও কিন্তু যত টা না যুদ্ধের কারনে তার থেকে অধিক ছিল দূর্নীতিবাজ সরকারি কর্মকর্তা ও নেতাদের চুরির কারনে।

আজ এই ২০২২ সালে এসেও আমরা বাংলাদেশের দুর্ভিক্ষের বিলাসী কথা শুনছি। ভাবছি এটা আসবে আর চলে যাবে। অথচ এটা যে আরো আগে থেকেই শুরু হয়ে গেছে তা অনুধাবন করছিনা। খাবারে, চিকিৎসায়,শিক্ষায়সহ সকল ক্ষেত্রে মানুষ দিনে দিনে কৃচ্ছতা করেও কূলকিনারা করতে পারছে না। মধ্যবিত্ত হয়েছে নিন্মবিত্ত, নিন্মবিত্ত চলে গেছে দারিদ্রের খাতায়।
উচ্চবিত্ত হয়েছে আরো ধনী। এইটাই যেকোন দুর্ভিক্ষের সময় ঘটে। আমরা অপেক্ষায় আছি হাড্ডিসার মানুষ দেখার জন্য, জয়নুল আবেদীনের আঁকা ছবির মত দুর্ভিক্ষ দেখার জন্য।

অথচ খাদ্যপণ্যের ট্রাকের পেছনে লাইন যে দিনে দিনে বড় হচ্ছে সেটা খেয়াল করছি না। মানুষ যে খাবারে প্রটিন, পুষ্টিমান কমিয়ে দিয়েছে সেটা অনুধাবন করছিনা। আরেকদল পণ্য মজুদ করে ইচ্ছেমতো মুল্য নির্ধারণ করে, মানুষকে জিম্মি করে দূর্নীতি করে জনগনের সর্বস্ব লুটে নিচ্ছে সেটাও দেখে বুঝেও না দেখার ভান করে যাচ্ছে দায়িত্বশীল মানুষ গুলো।
হাড্ডিসার মানুষ তখন ই দেখা যাবে যখন দুর্ভিক্ষের মাত্রা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাবে কিন্তু ওর আগেও যে মানুষ ভুগতে থাকে দুর্ভিক্ষে সেটা কয়জনে অনুভব করে?

আল্লাহর কাছে সকলেই দোয়া করুন যেন আমাদেরকে, এই দেশকে বিপদের থেকে রক্ষা করেন। ঈমানী দায়িত্ববোধ ও নৈতিকতা যদি আমাদের বিবেককে তাড়া না করে, তাহলে নিজেদের স্বার্থ রক্ষার জন্য হলেও গরীবদের সহযোগিতায় আমাদের এগিয়ে আসা এবং তাদের জন্য অন্ন বস্ত্রের ব্যবস্থা করা উচিত। আল্লাহ তাআলা তাওফীক দান করুন। আমীন।

সংকলন:
মাও: আবু তাহের নেত্রকোনী।
প্রতিষ্ঠাতা, দারুল উলুম ক্বাওমি মাদ্রাসা।
ভূগী (উত্তর পাড়া), পূর্বধলা, নেত্রকোণা।
নিয়মিত লেখক, ইসলামিক জার্নাল বিভাগ,
নেত্রকোণা জার্নাল ডটকম পত্রিকা।[bws_pdfprint display=”pdf,print”]

আপনার মতামত লিখুন :

 ফেসবুক পেজ

 আজকের নামাজের ওয়াক্ত শুরু

    নেত্রকোণা, ময়মনসিংহ, ঢাকা, বাংলাদেশ
    বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২২
    ১৪ Jumada I, ১৪৪৪
    ওয়াক্তসময়
    সুবহে সাদিকভোর ৫:০৮ পূর্বাহ্ণ
    সূর্যোদয়ভোর ৬:২৮ পূর্বাহ্ণ
    যোহরদুপুর ১১:৫০ পূর্বাহ্ণ
    আছরবিকাল ২:৫২ অপরাহ্ণ
    মাগরিবসন্ধ্যা ৫:১২ অপরাহ্ণ
    এশা রাত ৬:৩২ অপরাহ্ণ
এর আরও খবর
নেত্রকোণায় আল্লামা নূরুল ইসলাম অলিপুরী সাহেবের মাহফিল ২০ ডিসেম্বর

নেত্রকোণায় আল্লামা নূরুল ইসলাম অলিপুরী সাহেবের মাহফিল ২০ ডিসেম্বর

ইসলাম যৌতুক-কে করেছে হারাম, দেনমোহর করেছে আবশ্যক

ইসলাম যৌতুক-কে করেছে হারাম, দেনমোহর করেছে আবশ্যক

মজলুমের ফরিয়াদ

মজলুমের ফরিয়াদ

দুর্ভিক্ষ কেন আসে? এর থেকে উত্তরনের উপায় সম্পর্কে ইসলামি নির্দেশনা কি?

দুর্ভিক্ষ কেন আসে? এর থেকে উত্তরনের উপায় সম্পর্কে ইসলামি নির্দেশনা কি?

যুবরাজ সালমানকে সৌদি আরবের প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা

যুবরাজ সালমানকে সৌদি আরবের প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা

জুমার দিনের ফজিলত ও জুমার আগে চার আমল

জুমার দিনের ফজিলত ও জুমার আগে চার আমল

 
উপদেষ্টা সম্পাদক : দিলওয়ার খান
সম্পাদক ও প্রকাশক : মুহা. জহিরুল ইসলাম অসীম  
অস্থায়ী কার্যালয় : এআরএফবি ভবন, ময়মনসিংহ রোড, সাকুয়া বাজার, নেত্রকোণা সদর, ২৪০০ ।
ফোনঃ ০১৭৩৫ ০৭ ৪৬ ০৪, বিজ্ঞাপনঃ ০১৬৪৫ ৮৮ ৪০ ৫০
ই-মেইল : netrokonajournal@gmail.com
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।