সব
facebook netrokonajournal.com
শহীদ মেহের আলী একটি নাম, একটি ইতিহাস : হায়দার জাহান চৌধুরী | নেত্রকোণা জার্নাল

শহীদ মেহের আলী একটি নাম, একটি ইতিহাস : হায়দার জাহান চৌধুরী

প্রকাশের সময়:

শহীদ মেহের আলী একটি নাম, একটি ইতিহাস : হায়দার জাহান চৌধুরী

ads1

নেজা ডেস্ক:
ষাটের দশকের নেত্রকোণা ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম প্রধান সংগঠক। তৎকালিন নেত্রকোণা মহকোমা ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, শহীদ মেহের আলী একটি নাম, একটি ইতিহাস

ষাটদশকে নেত্রকোণা রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে যে নামটি বার বার উচ্ছারিত হবে তিনিই হলেন শহীদ মেহের আলী।

১৯৪১ সালে নেত্রকোণা পৌরসভার ইসলামপুর এলাকায় জন্মগ্রহণ করা এই কিংবদন্তী ছাত্র নেতার প্রকৃত নাম ছিল মো: মেহের আলী, পিতা মো: আক্তার আলী, মাতা মোসাম্মৎ তুলাজান বিবি।

ছোটবেলা থেকেই তিনি খুব মেধাবী ছাত্র হিসাবে পরিচিত ছিলেন। তিনি সাংগঠনিক দক্ষতা ও মানসম্মত নেতৃত্বের গুনাবলীসহ বিরল প্রতিভার অধিকারী। ব্যক্তিগত জীবনে ৩ সন্তানের জনক তিনি। তার স্ত্রী রওশনারা বেগম।

ফিল্ডমার্শাল আইয়ুব খানের সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে ৭১’এর মহান মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত যত আন্দোলন সংগ্রাম সংগঠিত হয়েছে তার প্রতিটিতেই মেহের আলীর স্বরব উপস্থিতি ও নেতৃত্ব নেত্রকোণাবাসী চিরদিন শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে।

ষাটের দশকে ছাত্র আন্দোলনের ঊষালগ্নে নেত্রকোণার রাজনীতির আকাশে এক উজ্বল নক্ষত্র হলেন শহীদ মেহের আলী, শহীদ মেহের আলী সম্বন্ধে এক আলাপচারিতায় ঐ সময়ে আরেক ছাত্রনেতা নেত্রকোণা ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযুদ্ধা মো: শামছুদ্দোহা বলেছেন, মেহের আলী ভাই সর্ম্পকে বলার আগে আগে আমি ষাটের দশকের সময়টা কথা কিছু বলতে চাই।

আজকাল রাজনীতি করা ও নেতা হওয়া খুব সহজ। কিন্তু তখনকার যুগে রাজনীতি করা মানে নিশ্চিত জেল হাজতে যাওয়া নতুবা মৃত্যু। কারণ পাকিস্থান সরকারের বিরোদ্ধে কথা বললে বা শ্লোগান তুললেই জেল জুলুম হুলিয়া জারী হয়ে যেতো।

আন্দোলন সংগ্রামের আবাস ইঙ্গিত পেলেই ১৪৪ ধারা জারী অথবা কারফিউ দিয়ে নেতা কর্মী ও জনগনের উপর অত্যাচার নির্যাচনের ষ্ট্রিম রোলার চালাতো। একমকি নেতা কর্মীদের হত্যা করতেও পিছু পা হতো না। আমরা সেই কঠিন সময় গুলোতে মেহের আলী ভাইয়ের নেতৃত্বে আন্দোলন সংগ্রাম করেছি।

১৯৬৪ সালের একটি ঘটনার কথা উল্লেখ করলেই মেহের আলী ভাইয়ের গুরুত্ব বোঝা যাবে। সেদিন দেশব্যাপী সাধারণ ছাত্র ধর্মঘট ডাকা হয়েছিল। এই ধর্মঘটে নেত্রকোণায় ছাত্র সমাজ ছাত্রলীগের নেতৃত্বে মিছিল মিটিং-এ নেত্রকোণা তৎকালিন মুসলিম লীগের পেটুয়াবাহিনী হামলা চালায় আওয়ামীলীগ অফিসের সামনে।

এই হামলায় ছাত্রলীগের বেশ কিছু নেতা কর্মীসহ মেহের আলী ভাই রক্তাক্ত জখম হয়েছিলেন। পরবর্তীতে আহত অবস্থায় মেহের আলী ভাইয়ের নেতৃত্বে সম্মিলিত ছাত্র সমাজের পাল্টা হামলা চালালে মুসলিম লীগের গুন্ডা বাহিনি পালিয়ে যায়।

১৯৬২ সালে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে সারা দেশব্যাপী ধর্মঘট ডাকা হয়। নেত্রকোণায় ধর্মঘট চলাকালে মোহনগঞ্জ থেকে একদল ছাত্রকর্মী সভায় যোগ দিতে ট্রেনযোগে নেত্রকোণায় আসছিল। সেদিন ট্রেনে মোবাইল কোর্ট বিনা টিকেটে যাত্রীদের সাথে আগত ছাত্রকর্মীদেরকে গ্রেফতার করে ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে নেত্রকোণার ছাত্র সমাজ ছাত্রলীগের নেতৃত্বে নেত্রকোণা বড় ষ্টেশনে ট্রেন আটকিয়ে ভাংচুড় করে ছাত্রকর্মীদেরকে ছিনিয়ে আনে।

রেল কর্তৃপক্ষ মামলা দায়ের করলে নেত্রকোণা বাসীর উপর সরকারের নির্দেশে পাইকারী জরিমানা ধার্য করা হয়। সেই সাথে ছাত্রনেতা মেহের আলী ভাইসহ বেশ কিছু নেতাকর্মীকে পুলিশ ধরে জেল হাজতে প্রেরণ করে।

নেত্রকোণার এই ঘটনা সেদিন বিবিসি, ভয়েজ অফ অ্যামেরিকা ও আকাশবাণী কলকাতা থেকে খবর প্রকাশ হয়েছিল। শহীদ মেহের আলী তৎকালিন সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মৃত্তিকা বিজ্ঞানের ছাত্র ছিলেন, এ সময় তিনি বঙ্গবন্ধুর অনুসারী ছাত্র সংগঠন পূর্ব পাকিস্থান ছাত্রলীগ করতেন।

নেত্রকোণা ছাত্র সংগঠন করার লক্ষ্যে নেত্রকোণা আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল খালেকের পত্র নিয়ে মেহের আলী ও শামছুজ্জোহা ঢাকা গিয়ে গুলিস্থানে (বঙ্গবন্ধু এভ্যিনিউ) আলফা লাইফ ইন্সুরেন্স অফিসে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং খালেক সাহেবের পত্র হস্তান্তর করেন।

বঙ্গবন্ধু তাদের কথা শুনে একটি চিরকুট লিখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফজলুর হক হলে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ ফজলুল হক মনি’র নিকট পাঠিয়ে দেন।

চিরকুটে লেখা ছিলো এরা নেত্রকোণা থেকে এসেছে ছাত্রলীগ করতে চায়। শেখ মনির মেহের আলী ও শামছুজ্জোহার সাথে আলাপ আলোচনা করে ছাত্রলীগের আদর্শ উদ্দেশ্য সর্ম্পকে বলে কিছু ছাপানো লিফলেট গঠনতন্ত্র ও কিছু পুস্তিকা দিয়ে তাদেরকে নেত্রকোণা পাঠিয়ে দেন এবং সর্তক করে দেন এসব বই পত্র যেনো পুলিশের হাতে না পড়ে, পড়লে কিন্তু নিঘাত জেল।

বস্তুত নেত্রকোণা ছাত্রলীগ সংগঠন গড়ে তোলার ক্ষেত্রে প্রাণ পুরুষ ছিলেন শহীদ মেহের আলী। শহীদ মেহের আলী নেত্রকোণা শুধু ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতাই ছিলেন না তিনি নেত্রকোণা জেলা শ্রমিক লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। শহীদ মেহেরে আলী রাজনৈতিক প্রজ্ঞা দক্ষতা এবং সাংগঠনিক কর্মকান্ডে বিরল প্রতিভার অধিকারী ছিলেন।

তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে সরাসরি শ্রমিকলীগের রাজনীতিতে চলে আসেন। তিনি ছিলেন নেত্রকোণা আওয়ামী লীগের জেলা কমিটির শ্রম বিষয় সম্পাদক।

সর্বজন শ্রদ্ধেয় সর্বজনাব মজির উদ্দিন মোক্তার, আব্দুর মমিন, আব্দুল খালেক, ফজলুর রহমান খান, কে. এম. ফজলুর কাদের, এন.আই. খান, আব্বাস আলী খান, কথা সাহিত্যিক খালেকদাদ চৌধুরী, ডাঃ জগদীশ দত্ত, ডাঃ আকলাকুল হোসাইন আহমেদ, হাদিস চৌধুরী, আব্দুল মজিদ তারা মিয়া, প্রমুখের সাথে তিনি রাজনীতি করেছেন।

শেখ মুজিবুর রহমান এঁর নেতৃত্বে ছয় দফা আন্দোলন ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, সত্তরের নির্বাচন ও একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের শহীদ মেহের আলী ছিলেন এক সংশপ্তক সূর্য্য সৈনিক। যাদেরকে তিনি নিজ হাতে গড়ে তুলেছেন তারা হলেন সর্বজনাব মোঃ শামছুজ্জোহা, মতিউর রহমান খান, সাফায়েত আহমেদ খান, আশরাফ আলী খান খসরু, হায়দার জাহান চৌধুরী, গোলাম এরশাদুর রহমান, আলাউদ্দিন খান, গাজী দেলওয়ার হোসেন, বাদল মজুমদার ও আবদুর রহীম প্রমুখ ছাত্রনেতা।

১৯৬২ সালে রেল অবরুধ ও ভাংচুড় এর মামলায় মেহের আলী বেশ কিছুদিন জেল হাজতে ছিলেন। জেলখানায় বসে মেহের আলী পাকিস্তানী সামরিক নির্যাতন এর বিরুদ্ধে নতুন পরিকল্পনা নিয়ে কচি-কাঁচা মেলা নামে একটি শিশু-কিশোর সংগঠন গড়ে তোলার চেষ্ঠা করেন। এই কচি-কাঁচার মেলার মাধ্যমেই বিভিন্ন সাংস্কৃতি কর্মকাণ্ডের আড়ালে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালানো উদ্দ্যেশই তিনি আইযুব বিরোধী আন্দোলনে ছাত্রলীগকে সুকৌশলে সম্পৃক্ত করেছিলেন।

১৯৬৪ সালে ভাষা আন্দোলনের শহীদের শরণে প্রথম শহীদ মিনারে অন্যতম স্থপতি ছিলেন তিনি।

১৯৬০ সালে মার্শাল’‘ল’ বিরোধী আন্দোলনে তৎকালীন নেত্রকোণার ছাত্র সংস্থার ভূমিকা উল্লেখ করার মত। এই ছাত্র সংস্থার ব্যানারেই ‘ছাত্র ঐক্য জিন্দাবাদ’ শ্লোগানকে সামনে রেখে ও গোপণীয়তা বজায় রেখে মার্শাল’‘ল’ বিরোধী বিভিন্ন ভাষার হাতের লেখা পোস্টার রাতের অন্ধকারে শহরে সাঁটিয়ে দিয়ে জনমনে যে আলোড়ন সৃষ্টি করে এক ঐতিহাসিক ঘটনার জন্ম দিয়েছে নেত্রকোণার ছাত্র সংস্থা নামে এই সংগঠনটি।

নেত্রকোণা ছাত্র আন্দোলনকে সামনে রেখে এই সংগঠনটি প্রাথমিক পর্যায়ে গোপনে, পরবর্তীতে প্রকাশ্যে ছাত্রদেরকে সংগঠিত করে আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে যেতে শুরু করে। সেই সময়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত বিভিন্ন প্রগতিশীল রাজনৈতিক সংগঠনের নেতা যেমন-সত্যকিরণ আদিত্য, আব্দুল খালেক, ওয়াজেদ আলীসহ প্রমুখ এই ধরনের প্রক্রিয়ার নেপথ্যে কাজ করছিলেন।

সেসময় যে সকল ছাত্র নেতা এই ধরনের গোপণীয় কাজের উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল তাদের মধ্যে সর্বজনাব মেহের আলী, জামাল উদ্দিন আহমেদ, মোঃ শামছুজ্জোহা, গাজী মোশারফ হোসেন, টি.এ রহমত উল্লাহ, নুরুল ইসলাম, লুৎফুর রহমান খান, আব্দুস সাত্তার প্রমুখ এ ছাত্র সংস্থা গঠন এবং আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

আইয়ুব খানের মার্শাল’ ‘ল’ বিরোধী গোপণ আন্দোলনের সূত্র ধরেই ষাটের দশকে ছাত্র আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ৬২’র হামিদুর রহমার শিক্ষা কমিশন রিপোর্ট বাতিলের দাবীতে দেশব্যাপী ছাত্র সমাজের নেতৃত্বে শিক্ষা আন্দোলন শুরু হয়েছিল।

এরই পথ ধরে ৬৬’র ছয় দফা আন্দোলন, ৬৯’র সর্বদলীয় ছাত্রসমাজের ১১ দফা আন্দোলন যাহা গণ আন্দোলনের রূপ নিয়ে পাকিস্থানের সামরিক শাসক আইয়ুব খানের পতন ঘটিয়ে আগড়তলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে শেখ মুজিবসহ সকল রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্ত করে।

৬৯’র গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের পতন ও সেই সাথে আরেক সামরিক শাসক জেনারেল ইয়াহিয়া খানের আগমন ঘটে। সেই সামরিক শাসক ছাত্র গণআন্দোলনের মুখে ৭০’র জাতীয় নির্বাচন এবং ৭১’র মুক্তিযুদ্ধ এর প্রতিটি আন্দোলন ও সংগ্রামে নেত্রকোণা এলাকায় কিংবদন্তী ছাত্রলীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মেহের আলীর নাম বাংলাদেশের স্বাধীনতা ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লিখা থাকবে।

বঙ্গবন্ধুর ডাকে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণসহ নেত্রকোণার প্রতিরোধ যুদ্ধে মেহের আলী অগ্রনী ভূমিকা পালন করেছিলেন। নেত্রকোণা ছাত্রলীগের নেতৃত্বে ছাত্র ও যুব সমাজকে পাকিস্থানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধ যুদ্ধে মেহের আলী বীরত্বপূর্ণ অংশগ্রহণ ও ভূমিকা নেত্রকোণা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করেছে। পরবর্তীতে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করতে ভারতের মহেশখলা যাওয়ার পথে মধ্যনগর দুগনি গ্রামে তাঁর শ্বশুর বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। সে সময় তিনি মধ্যনগর সহ আশপাশ এলাকার ছাত্র যুবকদেরকে নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে মহেশখলা যাওয়ার প্রস্তুতিকালে ১৭ই মে ১৯৭১ মহেশখলা থেকে আগত মুক্তিযোদ্ধা নামধারী কতিপয় সশস্ত্র ব্যক্তিগণ মেহের আলীকে গ্রেফতার করে মহেশখলায় নিয়ে যায় এবং নেত্রকোণা ব্যাংক লোটে অপবাদ দিয়ে তাঁকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

মেহের আলী হত্যাকাণ্ডের রহস্য এখনো অনুদঘাটিত। ভবিষ্যতে এই হত্যাকান্ডের রহস্য উন্মোচনের জন্য আগামী প্রজন্মকে দায়িত্ব নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। আমরা মেহের আলীর আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। [লেখকঃ সাংবাদিক ও কলামিস্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার জাহান চৌধুরী]

আরো পড়ুনঃ রবীন্দ্রনাথ-শৈলজারঞ্জন-দত্ত উচ্চবিদ্যালয় অতঃপর নেত্রকোণা: হায়দার জাহান চৌধুরী

পড়ুন আরওঃ নেত্রকোণার রাজনীতির প্রবাদ পুরুষ মরহুম জননেতা আব্দুল খালেক এমপি

ads1

আপনার মতামত লিখুন :

 ফেসবুক পেজ

 আজকের নামাজের ওয়াক্ত শুরু

    নেত্রকোণা, ময়মনসিংহ, ঢাকা, বাংলাদেশ
    রবিবার, ২ অক্টোবর, ২০২২
    ৫ Rabi' I, ১৪৪৪
    ওয়াক্তসময়
    সুবহে সাদিকভোর ৪:৩৫ পূর্বাহ্ণ
    সূর্যোদয়ভোর ৫:৫০ পূর্বাহ্ণ
    যোহরদুপুর ১১:৪৮ পূর্বাহ্ণ
    আছরবিকাল ৩:১২ অপরাহ্ণ
    মাগরিবসন্ধ্যা ৫:৪৬ অপরাহ্ণ
    এশা রাত ৭:০১ অপরাহ্ণ
মোহনগঞ্জে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মির্জা আব্দুল গণি’র দাফন সম্পন্ন

মোহনগঞ্জে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মির্জা আব্দুল গণি’র দাফন সম্পন্ন

নেত্রকোণা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা 

নেত্রকোণা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা 

আবারও সাঁতারে বিশ্ব রেকর্ড গড়তে যাচ্ছেন নেত্রকোণার ক্ষিতীন্দ্র চন্দ্র বৈশ্য

আবারও সাঁতারে বিশ্ব রেকর্ড গড়তে যাচ্ছেন নেত্রকোণার ক্ষিতীন্দ্র চন্দ্র বৈশ্য

সংবিধান কমিটি ও গণপরিষদ সদস্য এড. সাদির উদ্দিন আহমেদ এর চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী: শ্রদ্ধাঞ্জলি

সংবিধান কমিটি ও গণপরিষদ সদস্য এড. সাদির উদ্দিন আহমেদ এর চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী: শ্রদ্ধাঞ্জলি

দুর্গাপুরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেকের দাফন সম্পন্ন

দুর্গাপুরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেকের দাফন সম্পন্ন

নেত্রকোণায় ঐতিহাসিক নাজিরপুর যুদ্ধ দিবস পালিত

নেত্রকোণায় ঐতিহাসিক নাজিরপুর যুদ্ধ দিবস পালিত

সর্বশেষ সংবাদ সর্বাধিক পঠিত
 
উপদেষ্টা সম্পাদক : দিলওয়ার খান
সম্পাদক ও প্রকাশক : মুহা. জহিরুল ইসলাম অসীম  
অস্থায়ী কার্যালয় : এআরএফবি ভবন, ময়মনসিংহ রোড, সাকুয়া বাজার, নেত্রকোণা সদর, ২৪০০ ।
ফোনঃ ০১৭৩৫ ০৭ ৪৬ ০৪, বিজ্ঞাপনঃ ০১৬৪৫ ৮৮ ৪০ ৫০
ই-মেইল : netrokonajournal@gmail.com
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।